‘ভ্রমণ’
শ্রীপর্ণার দৃষ্টিতে যে কিনা চেহারায় ছেলে ছেলে হলেও ভ্রষ্টযোগী সাধক-সত্তায় মনে মনে মেয়ে
রাজনৈতিক
অর্ভিন ঘোষের এই ভ্রমণ কাহিনি যেমন রম্যরচনার সুখপাঠ্যতা বহন করে আনে
-র বৃত্তি নিয়ে ১৯৬৪ সালে এক বছরের একটি কোর্স করার জন্যে ম্যানিলায় পা দিয়েছিলেন। ইউনিভার্সিটি অব ফিলিপিন্সে এক বছরের এই কোর্সের সুবাদে ম্যানিলা-সহ ফিলিপিনের নানান জায়গায় ঘুরেছেন তিনি। এই ভ্রমণের দিনগুলি লেখকের স্মৃতির মণিকোঠায় সযত্নে রাখা ছিল। ১৯৮৮তে নানা কাজের শেষে সামান্য অবসর মেলার সঙ্গে সঙ্গেই মনের ধূসর ক্যানভাসে রয়ে যাওয়া সেই সমস্ত ভ্রমণের স্মৃতি নিয়েই ফয়জী আরম্ভ করেন তাঁর ‘ম্যানিলার চিঠি’। বাংলাদেশের ‘দৈনিক নব অভিযান’ পত্রিকায় ধারাবাহিক বেরুতে আরম্ভ করার সঙ্গে সঙ্গেই ঝরঝরে স্বাদু গদ্যে এঁকে চলা জলছবির মতো উজ্জ্বল রঙীন এই ভ্রমণস্মৃতি আকর্ষণ করে নেয় পাঠকের মন। যতদিন পত্রিকার পাতায় বেরিয়েছে রচনাটি ততদিন সাগ্রহে অপেক্ষায় থেকেছেন পাঠকও। সাবলীল উপস্থাপনার গুণে মন টেনে নেওয়া এই অচেনা দেশে ভ্রমণ কাহিনী জামশেদ ফয়জীর চিরনতুনের জন্যে উন্মুখ মানসেরই অকুণ্ঠ প্রকাশ।
পূর্ব ইউরোপে তিন সপ্তাহ শক্তি চট্টোপাধ্যায় ‘ভ্রমণ’Purba Europe Tin Saptah : : 256 , , , , , , , , , , , , , (cm) : 14 (l) X 22 (b) X 2 (h)